.বিএমইউতে রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন বিষয়ে আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ পরিদর্শনে উপাচার্য
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে চলমান তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিদর্শন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী।
বুধবার (৮ জুলাই) প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় দিনে উপাচার্যের সঙ্গে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ এবং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম এ শাকুরও সেন্টারটি পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং চীনা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, চিকিৎসক, ফিজিওথেরাপিস্ট ও প্রশিক্ষণার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
৭ থেকে ৯ জুলাই অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে চীনের বিশেষজ্ঞরা চিকিৎসক ও ফিজিওথেরাপিস্টদের আধুনিক রোবোটিক পুনর্বাসন প্রযুক্তির তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। পাশাপাশি চীনা বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়াররা বাংলাদেশের প্রকৌশলীদের রোবোটিক যন্ত্রপাতি পরিচালনা, ক্যালিব্রেশন, রক্ষণাবেক্ষণ ও কারিগরি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করছেন।
পরিদর্শনের সময় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গেও কথা বলেন এবং তাদের চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নেন। রোগীরা রোবোটিক পুনর্বাসন সেবা ও চিকিৎসার ইতিবাচক ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পুনর্বাসন চিকিৎসা দেশের স্বাস্থ্যসেবায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে রোগীকেন্দ্রিক ও গবেষণাভিত্তিক পুনর্বাসন সেবা আরও শক্তিশালী হবে।
অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ আধুনিক যন্ত্রপাতির যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রশিক্ষণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম এ শাকুর বলেন, স্ট্রোক, স্পাইনাল কর্ড ইনজুরি, ট্রমাটিক ব্রেইন ইনজুরি, পারকিনসন রোগ, সেরিব্রাল পালসিসহ বিভিন্ন স্নায়বিক ও মাংসপেশিজনিত সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের পুনর্বাসনে রোবোটিক প্রযুক্তি অত্যন্ত কার্যকর। এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ দেশে রোবোটিক পুনর্বাসন চিকিৎসার মানকে আরও উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।




