নাক বন্ধ? স্বস্তি পেতে খাবারে রাখুন কাঁচা মরিচ
প্রতিদিনের খাবারে কাঁচা মরিচ অনেকেরই পছন্দের অনুষঙ্গ। এটি শুধু খাবারের স্বাদ ও ঝাঁজ বাড়ায় না, বরং শরীরের জন্যও নানা উপকার বয়ে আনে।
পুষ্টিবিদরা বলছেন, পরিমিত পরিমাণে কাঁচা মরিচ খেলে শরীর প্রয়োজনীয় কিছু ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পায়, যা সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।
কাঁচা মরিচে থাকা ভিটামিন এ ও বিটা-ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
পাশাপাশি এতে থাকা ভিটামিন সি চোখের বিভিন্ন কোষকে সুরক্ষা দিতে সহায়তা করে।
মরিচের ক্যাপসাইসিন নামক উপাদান শরীরের বিপাকক্রিয়া সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে।
ফলে ক্যালোরি খরচের হার কিছুটা বাড়তে পারে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
নাক বন্ধ হয়ে গেলে বা সর্দি-কাশিতে ভুগলে কাঁচা মরিচ কিছু ক্ষেত্রে উপশম দিতে পারে।
এর ঝাঁজ নাকের বন্ধভাব কমাতে এবং শ্বাসপ্রশ্বাস সহজ করতে সহায়তা করে।
গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যাপসাইসিন ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এটি সহায়ক হতে পারে।
কাঁচা মরিচে থাকা ভিটামিন সি শরীরে আয়রন শোষণে সাহায্য করে। ফলে আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে এটি উপকারী ভূমিকা রাখতে পারে।
শুকনা বা গুঁড়া মরিচের তুলনায় কাঁচা মরিচে পানির পরিমাণ বেশি থাকে। এতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিটা-ক্যারোটিন পাওয়া যায়। এ ছাড়া কাঁচা মরিচে কৃত্রিম রং মেশানোর ঝুঁকি থাকে না এবং এতে ক্যালোরির পরিমাণও খুবই কম।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি প্রতিদিন প্রায় ১২ থেকে ১৫ গ্রাম কাঁচা মরিচ খেতে পারেন। যাদের গ্যাস্ট্রিক, আলসার সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা ভালো। সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে পরিমিত পরিমাণে কাঁচা মরিচ খেলে স্বাদ ও পুষ্টি, দুইয়েরই সুবিধা পাওয়া সম্ভব।




