সরকারি চিকিৎসকদের হাসপাতাল বিনিয়োগের সুযোগ চাইলেন চিকিৎসক
রবিবার (১২ জুলাই) সরকারি চাকরিজীবী চিকিৎসকদের স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত কাঠামোর মধ্যে হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়ার দাবি উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্তমান বিধিনিষেধ বাস্তবতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং এর ফলে স্বজনের নামে বিনিয়োগের মতো অনৈতিক চর্চা উৎসাহিত হচ্ছে।
এক মতামতধর্মী লেখায় একজন চিকিৎসক বলেন, সরকারি চিকিৎসক নিজের নামে হাসপাতালে বিনিয়োগ করতে না পারলেও একই অর্থ স্ত্রী বা সন্তানের নামে বিনিয়োগ করা সম্ভব। এতে প্রকৃত স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয় না; বরং বেনামি মালিকানার সুযোগ তৈরি হয়।
তিনি দাবি করেন, চিকিৎসকদের মালিকানায় পরিচালিত হাসপাতালগুলো রোগীকেন্দ্রিক ও জবাবদিহিমূলক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ চিকিৎসকের কাছে হাসপাতাল শুধু ব্যবসা নয়, এটি তাঁর পেশা ও সামাজিক দায়িত্বের অংশ। অন্যদিকে, কেবল মুনাফাকেন্দ্রিক বিনিয়োগের চাপ অনেক সময় চিকিৎসা ব্যয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে, যার প্রভাব পড়ে রোগীদের ওপর।
লেখায় আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে দেশে সরকারি হাসপাতালে প্রায় ৭৫ হাজার এবং বেসরকারি খাতে প্রায় এক লাখ শয্যা রয়েছে। এই বেসরকারি হাসপাতালগুলোর মালিকানায় চিকিৎসকদের অংশগ্রহণ খুবই সীমিত বলেও দাবি করা হয়।
সরকারি চিকিৎসকদের জন্য স্বচ্ছ নীতিমালার আওতায় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করলে মানসম্মত হাসপাতাল গড়ে উঠবে, সেবার মান বাড়বে এবং শেষ পর্যন্ত রোগীরাই সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন বলে মত প্রকাশ করা হয়েছে।




