শিরোনাম

Space for ads

তামাক কর সংস্কার না হলে জনস্বাস্থ্য ও রাজস্ব ক্ষতিগ্রস্ত হবে: বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা

 প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ন   |   অন্যান্য

Space for ads

প্রস্তাবিত  ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাক কর কাঠামোর কার্যকর সংস্কার না হলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও রাজস্ব আহরণের সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো যাবে না বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে Power and Participation Research Centre (PPRC) আয়োজিত ‘বাজেট ২০২৬-২৭: তামাক কর ও নীতি সংস্কারের শেষ সুযোগ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বর্তমান চার-স্তরবিশিষ্ট সিগারেট কর কাঠামোর কারণে ধূমপায়ীরা ধূমপান ছাড়ার পরিবর্তে কম দামের ব্র্যান্ডে চলে যাচ্ছেন। ফলে কর বৃদ্ধির প্রত্যাশিত জনস্বাস্থ্যগত সুফল পাওয়া যাচ্ছে না।

গবেষণা উপস্থাপনায় বলা হয়, দেশে তামাক থেকে রাজস্ব আয় বাড়লেও ২০২৪ সাল থেকে সিগারেট সরবরাহ কমতে শুরু করেছে, যা আরও কার্যকর কর আরোপের সুযোগ নির্দেশ করে। বক্তারা নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেট একীভূত করা, ১০ শলাকার প্যাকেটের ন্যূনতম মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণ এবং প্রতি প্যাকেটে নির্দিষ্ট কর আরোপের সুপারিশ করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন হোসেন জিল্লুর রহমান, শাফিউন নাহীন শিমুল ও এস. এম. আব্দুল্লাহ। তারা বলেন, তামাকপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির বড় অংশ সরকারের পরিবর্তে তামাক কোম্পানিগুলোর মুনাফায় চলে যাচ্ছে, যা রাজস্ব আহরণকে সীমিত করছে।

আলোচনায় নতুন নিকোটিন পণ্য, বিশেষ করে নিকোটিন পাউচ ও ই-সিগারেটের বিস্তার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বক্তাদের মতে, তরুণদের মধ্যে এসব পণ্যের ব্যবহার বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে এবং নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে আরও কঠোর করতে হবে।

এছাড়া ধোঁয়াবিহীন তামাকের বাজারে নিবন্ধন, ট্র্যাকিং ও নজরদারি ব্যবস্থার ঘাটতি দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে হাসপাতাল, পার্ক ও খেলার মাঠের মতো নিষিদ্ধ এলাকায় ধূমপান বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান জানান বক্তারা।

সমাপনী বক্তব্যে হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, শুধু তামাকের দাম বাড়ানোই যথেষ্ট নয়; মূল্যবৃদ্ধি এমন হতে হবে যাতে তামাক ব্যবহার কমে এবং সরকারের রাজস্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। তিনি অবৈধ বাণিজ্য ও কর ফাঁকি রোধে আরও শক্তিশালী প্রয়োগ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।


BBS cable ad

অন্যান্য এর আরও খবর: