কেএমসি পদ্ধতিতে কমছে নবজাতকের মৃত্যুঝুঁকি: বিএমইউ উপাচার্য
অপরিণত ও কম ওজনের নবজাতকের মৃত্যুহার কমাতে ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার (কেএমসি) পদ্ধতি আশার আলো ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। তিনি বলেন, নবজাতকের জীবন রক্ষায় কেএমসি পদ্ধতির কার্যকারিতা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত এবং এটি জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
বুধবার (২০ মে) বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়-এর শহীদ ডা. মিল্টন হলে আন্তর্জাতিক ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার (KMC) সচেতনতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত বৈজ্ঞানিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপাচার্য আরও বলেন, কেএমসি মডেল জনপ্রিয় করতে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার এবং শিশু অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. আতিয়ার রহমান। সভাপতিত্ব করেন নবজাতক বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল মানান।
বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নিওন্যাটোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. রুম্পা মনি চৌধুরী। তিনি জানান, ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক কেএমসি দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘স্থিরতাই শক্তি (Stillness is Strength)’।
তিনি বলেন, কেএমসি নবজাতকের মৃত্যুঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি হাইপোথার্মিয়া, হাইপোগ্লাইসেমিয়া ও সেপসিস প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে এটি বুকের দুধ খাওয়ানো সহজ করে এবং শিশুর ওজন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
সেমিনারে জানানো হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা World Health Organization জন্মের পর যত দ্রুত সম্ভব কেএমসি শুরু করার সুপারিশ করে। এছাড়া ‘মাদার নিউবর্ন কেয়ার ইউনিট’ মডেলের মাধ্যমে মা ও নবজাতকের মধ্যে বিচ্ছিন্নতা ছাড়াই বিশেষ সেবা ও তাৎক্ষণিক কেএমসি নিশ্চিত করা সম্ভব।




