আইজি প্রিজনের উদ্যোগে অসহায় বন্দির হার্টের দুটি ভালভ প্রতিস্থাপন
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার (কেরানীগঞ্জ) খুবই গুরুতর রোগ নিয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলেন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দি মো. মনির হোসেন (কয়েদি নম্বর-২৮৩২/এ)। চিকিৎসকরা কারা কর্তৃপক্ষকে জানান যে বন্দি মনিরের হার্টের ভালভ প্রতিস্থাপন করতে হবে।
খবরটি কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেনের কাছে পৌঁছানোর পর তিনি অসহায় ওই বন্দির পাশে দাঁড়ান। বন্দিকল্যাণ তহবিল থেকে তার সম্পূর্ণ চিকিৎসা ব্যয় বহন করা হয় এবং সফলভাবে তার দুটি ভালভ প্রতিস্থাপন করা হয়।
এছাড়া একই কারাগারে থাকা মুক্তিযোদ্ধা হাজতি গোলাম কবিরের চোখে অস্ত্রোপচারের ব্যয় একইভাবে বহন করা হয়। কারাবন্দি মনিরের বাবাও ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা।
সোমবার (২০ জুলাই) রাতে কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, বন্দি কল্যাণ তহবিলের পূর্ণাঙ্গ আর্থিক সহযোগিতায় বন্দি মনিরের বুকে সফলভাবে ভালভ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজেসে (এনআইসিভিডি) দীর্ঘদিন ভর্তি রেখে তার চিকিৎসা সম্পন্ন করা হয়।
এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা বন্দি গোলাম কবিরের চোখে সফল অস্ত্রোপচার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে। তার চিকিৎসা ব্যয়ও বন্দি কল্যাণ তহবিল থেকে বহন করা হয়েছে।
সব প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করা হয়েছে। কারাগারের বেকারির লভ্যাংশ দিয়েই এ তহবিল পরিচালিত হয়।
তিনি বলেন, কোনো বন্দি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসার সব ধরনের ব্যয় কারা কর্তৃপক্ষ বহন করে থাকে। একজন বন্দির চিকিৎসায় যা যা প্রয়োজন, আমরা তা নিশ্চিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। আলহামদুলিল্লাহ দুই বন্দি সুস্থ আছেন।
খবরটি কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেনের কাছে পৌঁছানোর পর তিনি অসহায় ওই বন্দির পাশে দাঁড়ান। বন্দিকল্যাণ তহবিল থেকে তার সম্পূর্ণ চিকিৎসা ব্যয় বহন করা হয় এবং সফলভাবে তার দুটি ভালভ প্রতিস্থাপন করা হয়।
এছাড়া একই কারাগারে থাকা মুক্তিযোদ্ধা হাজতি গোলাম কবিরের চোখে অস্ত্রোপচারের ব্যয় একইভাবে বহন করা হয়। কারাবন্দি মনিরের বাবাও ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা।
সোমবার (২০ জুলাই) রাতে কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, বন্দি কল্যাণ তহবিলের পূর্ণাঙ্গ আর্থিক সহযোগিতায় বন্দি মনিরের বুকে সফলভাবে ভালভ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজেসে (এনআইসিভিডি) দীর্ঘদিন ভর্তি রেখে তার চিকিৎসা সম্পন্ন করা হয়।
এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা বন্দি গোলাম কবিরের চোখে সফল অস্ত্রোপচার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে। তার চিকিৎসা ব্যয়ও বন্দি কল্যাণ তহবিল থেকে বহন করা হয়েছে।
সব প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করা হয়েছে। কারাগারের বেকারির লভ্যাংশ দিয়েই এ তহবিল পরিচালিত হয়।
তিনি বলেন, কোনো বন্দি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসার সব ধরনের ব্যয় কারা কর্তৃপক্ষ বহন করে থাকে। একজন বন্দির চিকিৎসায় যা যা প্রয়োজন, আমরা তা নিশ্চিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। আলহামদুলিল্লাহ দুই বন্দি সুস্থ আছেন।




