চিকিৎসক ছাড়াই চলছে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের দুই বিভাগ
চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নাক-কান-গলা (ইএনটি) ও চক্ষু বিভাগে কোনো চিকিৎসক নেই।
এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা। সেবাবঞ্চিত হয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে তাদের।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চক্ষু ও নাক-কান-গলা বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদ শূন্য থাকায় সংশ্লিষ্ট বিভাগের বহির্বিভাগ কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। ফলে চোখের বিভিন্ন সমস্যা, দৃষ্টিশক্তিসংক্রান্ত জটিলতা, ছানি, কানের ব্যথা, শ্রবণ সমস্যা, নাক ও গলার বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অনেকে বাধ্য হয়ে বেসরকারি ক্লিনিক কিংবা জেলা শহরের বাইরে চিকিৎসাসেবা নিতে যাচ্ছে, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজন রোগী জানায়, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার আশায় এসে চিকিৎসক না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে রোগীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। দ্রুত শূন্য পদগুলো পূরণ করে চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছে তারা।
স্থানীয়রা জানান, ২৫০ শয্যা হাসপাতালটি চাঁদপুরের বৃহৎ সরকারি হাসপাতাল হওয়ায় এখানে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে আসে। এ হাসপাতালে এমন গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিভাগের চিকিৎসক দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকাটা অত্যন্ত দুঃখজনক। তাদের মতে, জনস্বার্থে দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। জেলার লাখো মানুষের চিকিৎসাসেবার স্বার্থে শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হবে।
চিকিৎসা নিতে আসা রহিমা বলেন, ‘আমি এসেছি নাক-কানের চিকিৎসা করাতে। কিন্তু ডাক্তার না থাকায় চিকিৎসা নিতে পারছি না। এর আগেও কয়েকবার আমি এসে ফেরত গিয়েছি।’
এ বিষয়ে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. একেএম মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘নাক-কান-গলা ও চক্ষু বিভাগের চিকিৎসকের পদ শূন্য রয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে। আমরা দ্রুত চিকিৎসক পদায়নের জন্য
এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা। সেবাবঞ্চিত হয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে তাদের।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চক্ষু ও নাক-কান-গলা বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদ শূন্য থাকায় সংশ্লিষ্ট বিভাগের বহির্বিভাগ কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। ফলে চোখের বিভিন্ন সমস্যা, দৃষ্টিশক্তিসংক্রান্ত জটিলতা, ছানি, কানের ব্যথা, শ্রবণ সমস্যা, নাক ও গলার বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অনেকে বাধ্য হয়ে বেসরকারি ক্লিনিক কিংবা জেলা শহরের বাইরে চিকিৎসাসেবা নিতে যাচ্ছে, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজন রোগী জানায়, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার আশায় এসে চিকিৎসক না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে রোগীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। দ্রুত শূন্য পদগুলো পূরণ করে চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছে তারা।
স্থানীয়রা জানান, ২৫০ শয্যা হাসপাতালটি চাঁদপুরের বৃহৎ সরকারি হাসপাতাল হওয়ায় এখানে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে আসে। এ হাসপাতালে এমন গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিভাগের চিকিৎসক দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকাটা অত্যন্ত দুঃখজনক। তাদের মতে, জনস্বার্থে দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। জেলার লাখো মানুষের চিকিৎসাসেবার স্বার্থে শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হবে।
চিকিৎসা নিতে আসা রহিমা বলেন, ‘আমি এসেছি নাক-কানের চিকিৎসা করাতে। কিন্তু ডাক্তার না থাকায় চিকিৎসা নিতে পারছি না। এর আগেও কয়েকবার আমি এসে ফেরত গিয়েছি।’
এ বিষয়ে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. একেএম মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘নাক-কান-গলা ও চক্ষু বিভাগের চিকিৎসকের পদ শূন্য রয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে। আমরা দ্রুত চিকিৎসক পদায়নের জন্য




