ইপিআইয়ের আওতায় দেশজুড়ে ১ আগস্ট থেকে টাইফয়েড টিকাদান
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দেশের শিশুদের টাইফয়েড জ্বর থেকে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা দিতে সরকারের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে (ইপিআই) যুক্ত হচ্ছে টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি)। আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশব্যাপী নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় ১৫ মাস বয়সী প্রতিটি শিশুকে এক ডোজ টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে।
গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) এ তথ্য জানিয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, ১৫ মাস বয়সী শিশুদের বাম উরুর মাংসপেশীর মধ্যভাগের বাইরের অংশে এক ডোজ টিকা দেওয়া হবে। একই দিনে দেওয়া এমএমআর-২ (মিজলস, মাম্পস ও রুবেলা) টিকার সঙ্গে এই টিকাও প্রয়োগ করা যাবে। ইপিআইয়ের স্থায়ী কেন্দ্রগুলোতে সপ্তাহের সব কর্মদিবসে এবং মাঠপর্যায়ের অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রেও এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
ইপিআই জানিয়েছে, টাইফয়েড টিকা গ্রহণের জন্য শিশুদের ‘Vax:EPI’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে হবে। মাঠকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মাইক্রোপ্ল্যান তৈরি করবেন এবং অভিভাবকদের অ্যাপে নিবন্ধন ও টিকা কার্ড ডাউনলোডে সহায়তা করবেন। টিকা প্রয়োগের পর ‘Smart Health BD/E-Tracker’ অ্যাপের মাধ্যমে টিকা কার্ড স্ক্যান করে তথ্য হালনাগাদ করা হবে। পাশাপাশি, ডিজিটাল নিবন্ধন সহজ করতে উপজেলা পর্যায়ে জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রম আরও সহজ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
নিয়মিত কর্মসূচিতে পাঁচ ডোজের তরল টাইফয়েড ভায়াল ব্যবহার করা হবে। ভ্যাকসিন দুই থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সংরক্ষণ ও পরিবহন করতে হবে। প্রিজারভেটিভ থাকায় মাল্টিডোজ ভায়াল পলিসি (এমডিভিপি) অনুসরণ করে নির্ধারিত নিয়ম ও তাপমাত্রা বজায় থাকলে আংশিক ব্যবহৃত ভায়াল পরবর্তী সেশনেও ব্যবহার করা যাবে।
শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ধর্মীয় ও কমিউনিটি নেতাদের সম্পৃক্ত করে উঠান বৈঠক, মাইকিং এবং বাড়ি বাড়ি প্রচারণা চালানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দেশের শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই কর্মসূচিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।




