অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান প্রসব নিরুৎসাহিত করতে নীতিগ্রহণ করেছে সরকার
অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান প্রসব নিরুৎসাহিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় নীতি গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানান, চিকিৎসাসেবার পরিধি বাড়াতে একগুচ্ছ নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে ব্র্যাক ও লেগো ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘স্প্ল্যাশ’ প্রকল্পের উদ্বোধনী সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিগত সরকার পরিবার পরিকল্পনা পণ্যের কোনো মজুত রেখে যায়নি, ফলে এর সংকট দেখা দিয়েছে। দ্রুতই সব ধরনের পরিবার পরিকল্পনা পণ্যের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান প্রসব রোধে উপজেলাগুলোকে আধুনিক করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
বলেন, চলতি বছরের মধ্যেই প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে আধুনিক প্যাথলজিক্যাল ল্যাব স্থাপন করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, দালালদের খপ্পর থেকে গর্ভবতী মায়েদের রক্ষা করতে এবং হাসপাতালের বাইরে নিরাপদ নরমাল ডেলিভারি বাড়াতে দ্রুত মিডওয়াইফারি ও কেয়ারগিভার নিয়োগ করতে যাচ্ছে সরকার। যা নবজাতকদের শালদুধ পাওয়া নিশ্চিত করবে বলে মনে করেন তিনি।
নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আগামী ৩০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে মাঠ পর্যায়ে স্তন ও জরায়ু ক্যান্সার স্ক্রিনিং এবং কিডনি রোগীদের সুবিধার্থে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস ইউনিট চালুর চূড়ান্ত রূপরেখাও তুলে ধরেন তিনি।




