শিরোনাম

Space for ads

বিএমইউতে ক্রয় ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

 প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬, ০৭:২৮ অপরাহ্ন   |   মেডিকেল ইন্সট্রুমেন্ট

বিএমইউতে ক্রয় ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা
Space for ads
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) ক্রয় ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পিপিএ ২০০৬, পিপিআর ২০২৫ ও ই-গভার্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ইজিপি) বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বুধবার (৬ মে) শহীদ ডা. মিল্টন হলে অনুষ্ঠিত পাবলিক প্রকিউরমেন্ট এ্যাক্ট ও রুলস নিয়ে আয়োজিত এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। এতে সভাপতিত্ব করেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার। কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএমইউর ইজিপি বিষয়ক কনসালটেন্ট অধ্যাপক আবু সৈয়দ মজুমদার। 

বিএমইউর পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) জনাব খন্দকার শফিকুল হাসান রতনের সঞ্চালনায় কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তাফা কামাল, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. শেখ ফরহাদ। প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে সার্বিকভাবে সহায়তা করেন অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মো. মাসুদ আলম, অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) নাছির উদ্দিন ভুঁঞা, অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মোহাম্মদ বদরুল হুদা। দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত কর্মশালায় ৫৩ জন শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। 

উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, ইজিপি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা ক্রয় ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক। ইজিপি অনেক ঝামেলা থেকে মুক্তি দিয়েছে। ক্রয়ের ক্ষেত্রে আরও সচেতন ও মনোযোগী হতে হবে। অর্থ বছর শেষ হওয়ার সময় যত ঘনিয়ে আসে ততই তাড়াহুড়া করে অনেক কিছু করতে দেখা যায় যাতে ভুলভ্রান্তি বেশি হয়। তাই যথাসময়ে গুরুত্ব ও মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে হবে। এই ধরণের প্রশিক্ষণ কর্মশালা ক্রয় ব্যবস্থাকে নিয়মের মধ্য থেকে আরো বেশি গতিশীল করবে।  

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তারা বলেন, পিপিএ পিপিএ ২০০৬, পিপিআর ২০২৫ ও ই-গর্ভারমেন্ট প্রকিউরমেন্ট ইজিপি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা ক্রয়ের ক্ষেত্রে মানসিকতার পরিবর্তনে ভূমিকা রাখবে। এই পদ্ধতি দুর্নীতি ও অনিয়ম হ্রাস এবং সরকারের অর্থের অপচয় রোধে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করবে। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভূমিকা রাখবে। যাবতীয় ক্রয় নীতিমালা মেনেই সম্পন্ন করায় অবদান রাখবে। তারা আরও বলেন, যেকোনো কেনাকাটার ক্ষেত্রে যখন স্পেসিফিকেশন দেয়া হয় তা হতে হবে সম্পূর্ণমাত্রায় নির্ভুল, পূর্ণাঙ্গ, বাস্তবধর্মী ও ভবিষ্যতের পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য উপযুক্ত।
 
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেন, মাইক্রোবায়োলজি এন্ড ইমিউনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আবু নাসের ইবনে সাত্তার, প্যাথলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সুলতানা গুলশানা বানু, ইউরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুস সালাম, ল্যাবরেটরি মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. দেবতোষ পাল, রেডিওলজি এন্ড ইমেজিং বিভাগের অধ্যাপক ডা. বিশ্বজিৎ ভৌমিক, অধ্যাপক ডা. সৈয়দা নাজলী মোস্তফা, পরিচালক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগ জনাব মো. মাসুদ রানা, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ডা.সাইফ উদ্দিন নিসার আহমেদ, অতিরিক্ত পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. হাসনাত আহসান, অতিরিক্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কামরুন নাহার, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার মো. হাফিজুর রহমান, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক উপাচার্যের একান্ত সচিব মো. লুৎফর রহমান, উপ-রেজিস্ট্রার সাবিনা ইয়াসমিন, উপ-রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ আনিছ উর রহমান, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. হুমায়ুন কবীর, সহকারী পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মোহাম্মদ আবু নাজির, কর্মকর্তা শামীম আহম্মদ, মোহাম্মদ আশিকুর রহমান, মো. ফয়েজ উল্ল্যা, সুমাইয়া সরকার স্বর্ণা, মোঃ মোন্নাফ আলী মান্নাফ, হিসাবরক্ষক মো. সাজেদুল হাসান, পিএটু রেজিস্ট্রার সৈয়দ তাহিয়াতুর রহমান সুজন প্রমুখ।
BBS cable ad