শিরোনাম

Space for ads

১০ হাজার রোগীর জন্য একটি ইকো মেশিন

 প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:২১ পূর্বাহ্ন   |   ভ্যাকসিন

১০ হাজার রোগীর জন্য একটি ইকো মেশিন
Space for ads

  
 

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগে গত বছরের সেপ্টেম্বরে তুরস্কের একটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল হৃৎপিণ্ডে জন্মগত ত্রুটি আছে এমন ৪৫টি শিশুর বিনামূল্যে বিশেষ ডিভাইস স্থাপন ও প্রয়োজনীয় সার্জারি করেন। তখন প্রতিটি শিশুর হার্টের অবস্থা জানতে ইকোকার্ডিওগ্রাফি করান। সে সময় তুরস্কের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বললেন, ‘এমন ইকো মেশিন দিয়ে আপনারা কেমনে কাজ করেন। ভালো করে দেখা যাচ্ছে না, ছবিও ভালো আসে না।’    

চমেক হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগে ইকোকার্ডিওগ্রাফি মেশিন আছে একটি। এ একটি মেশিনের ওপরই প্রতিদিন ভরসা করতে হয় হাসপাতালের অন্তবিভাগ, বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগের প্রায় ১০ হাজার রোগীর। ফলে হাসপাতালে আসা হৃদ রোগীদের একমাত্র ভরসা ‘সবে ধন নীল মণি’ এই ইকো মেশিনটি। কিন্তু এটিরও নানা সমস্যা। ভালো করে দেখা যায় না, ছবিও আসে ঝাপসা। ফলে রোগ নির্ণয়ে সমস্যা হয়। 

হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, বিভিন্ন হৃদরোগ নির্ণয়, হৃৎপিণ্ডের গঠন, ভাল্ভের কার্যকারিতা, রক্ত প্রবাহ, সামগ্রিক পাম্প করার ক্ষমতা মূল্যায়ন করতে ইকোকার্ডিওগ্রাফি করা হয়। চমেক হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. কাজী শামীম আল মামুন বলেন মেডিসিন, হৃদরোগ, কিডনি, গাইনিসহ এমন গুরুত্বপূর্ণ সব বিভাগের রোগীর যদি ইকোর দরকার হয়, তাহলে ভরসা একমাত্র ইকো মেশিনটি। তিনি বলেন, একটি মেশিন হওয়ায় রোগীর চাপ বেশি। দীর্ঘ লাইন ধরে অপেক্ষা করতে হয়। দুই থেকে তিন দিন পর সিরিয়াল দেওয়া হয়। গত তিন দিন সরেজমিন দেখা যায়, হাসপাতালের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ২৮ নম্বর রুমে করা হয় ইকো পরীক্ষা। রুমের বাইরে লিখে দেওয়া হয় ‘ইকো করার তারিখ নিন। নির্ধারিত দিনে ডেট ছাড়া ইকো করা হয় না।’ এ সময় দেখা যায় রুমের বাইরে অনেক রোগী হাতে ইকো করার কাগজ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। নাসরিন আক্তার নামে এক রোগী বলেন, ‘আমার পাঁচ বছর বয়সি সন্তানকে চিকিৎসক ইকো করার জন্য বলেছেন। দুই দিন আগে টাকা জমা দিয়েছি। আজ ইকো করাতে এলাম।’
BBS cable ad

ভ্যাকসিন এর আরও খবর: