এইচপিভিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে টিকাদান ও স্ক্রিনিং সম্প্রসারণের আহ্বান
মঙ্গলবার(৩০ জুন) দেশে হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস (এইচপিভি) সংক্রমণ প্রতিরোধ এবং জরায়ুমুখ ক্যান্সার নির্মূলে টিকাদান, স্ক্রিনিং ও জনসচেতনতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
আজ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে ইন্টারন্যাশনাল প্যাপিলোমাভাইরাস সোসাইটি (আইপিভিএস) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কার্যকর টিকাদান, সময়মতো স্ক্রিনিং এবং গবেষণাভিত্তিক উদ্যোগের মাধ্যমে জরায়ুমুখ ক্যান্সার নির্মূল সম্ভব।
অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা. আশরাফুন্নেছা জানান, দেশে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী মেয়েদের এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি চলমান রয়েছে এবং ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এর আওতা ৮৮.৭ শতাংশে পৌঁছেছে। বর্তমানে দেশে ৬০১টি ভিআইএ কেন্দ্র ও ৫২টি কল্পোস্কোপি ক্লিনিক রয়েছে।
বক্তারা কিশোর-কিশোরীদের টিকার আওতায় আনা, ডিএনএভিত্তিক স্ক্রিনিং চালু এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘৯০-৭০-৯০’ লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে এইচপিভি-সম্পর্কিত রোগের বোঝা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।




