এইচপিভি প্রতিরোধে আইপিভিএস বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের যাত্রা শুরু
মঙ্গলবার (৩০ জুন) হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) প্রতিরোধ, জরায়ুমুখ ক্যান্সার নির্মূল, গবেষণা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক প্যাপিলোমাভাইরাস সোসাইটি (আইপিভিএস)-এর বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের লেকচার রুম-৫০৭-এ আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চ্যাপ্টারটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএমইউর উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকাদানের কোনো বিকল্প নেই। এ রোগ প্রতিরোধে সরকার, চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
বিশেষ অতিথিরা বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরায়ুমুখ ক্যান্সার নির্মূল লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এইচপিভি টিকাদান, স্ক্রিনিং, গবেষণা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
আইপিভিএস বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সমন্বয়ক ডা. লুৎফা বেগম লিপি বলেন, বাংলাদেশের জন্য এই চ্যাপ্টারের প্রতিষ্ঠা এইচপিভি সংক্রমণ প্রতিরোধ, গবেষণা সম্প্রসারণ এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
চ্যাপ্টারের লিড অধ্যাপক ডা. আশরাফুন্নেসা বলেন, আইপিভিএসে বাংলাদেশের সক্রিয় সদস্যদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অধ্যাপক ডা. কামরুন নাহার আগামী এক বছরের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে চিকিৎসক ও গবেষকদের সদস্য হওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, বিএমইউ, বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল (বিএমআরসি), আইসিডিডিআর,বি, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসক, গবেষক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।
বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, আইপিভিএস বাংলাদেশ চ্যাপ্টার গবেষণা সহযোগিতা, বৈজ্ঞানিক জ্ঞান বিনিময়, প্রশিক্ষণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রমাণভিত্তিক নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শেষে কেক কেটে ও বেলুন উড়িয়ে চ্যাপ্টারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।




