শিরোনাম

Space for ads

হামের জরুরি টিকাদান কর্মসূচিতে প্রায় শতভাগ সাফল্য: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

 প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬, ০৩:২১ অপরাহ্ন   |   রোগ

হামের জরুরি টিকাদান কর্মসূচিতে প্রায় শতভাগ সাফল্য: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
Space for ads

উচ্চ সংক্রামক ব্যাধি হাম নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে পরিচালিত জরুরি টিকাদান কর্মসূচির আওতায় মোট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল এক কোটি ৮০ লাখ ১৬ হাজার ৯১৪ জন শিশুকে।

 স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত এক কোটি ৭৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৭৬ জন শিশুকে হাম প্রতিরোধী টিকা দেওয়া হয়েছে। সে হিসেবে গত ৫ এপ্রিল শুরু হওয়া এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রায় শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে, যা সরকারের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য।

সোমবার (১১ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, মার্চ মাসে দেশে হামের সংক্রমণ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সরকার জরুরি ভিত্তিতে গত ৫ এপ্রিল টিকাদান কার্যক্রম শুরু করে। প্রথম পর্যায়ে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ৩০টি উপজেলায় এ কর্মসূচি চালু করা হয়। পরে ১২ এপ্রিল দেশের চারটি সিটি কর্পোরেশনে এবং ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত রবিবার পর্যন্ত সারাদেশে মোট এক কোটি ৭৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯০৬ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার প্রায় শতভাগ।

বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ৫ এপ্রিল থেকে বরিশাল বিভাগে ১০ লাখ ৪৭ হাজার ২২১, চট্টগ্রামে ৪২ লাখ ৬৮ হাজার ২৯, ঢাকায় ৪৪ লাখ ৬০ হাজার ৮২০, খুলনায় ১৬ লাখ ২ হাজার ৪১৯, ময়মনসিংহে ১৩ লাখ ৩৩ হাজার ৪২৪, রাজশাহীতে ২০ লাখ ৯০ হাজার ২৮৯, রংপুরে ১৯ লাখ ১৭ হাজার ৩৫১ এবং সিলেটে ১২ লাখ ৮০ হাজার ৪২৩ জন শিশুকে হাম প্রতিরোধী টিকা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ১২টি সিটি কর্পোরেশনে মোট ১৮ লাখ ৭৫ হাজার ৪৪৯ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ৯৮ শতাংশ। সিটি কর্পোরেশনভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বরিশালে ৪৩ হাজার ২৬৮, চট্টগ্রামে ২ লাখ ৭৫ হাজার ২৩২, কুমিল্লায় ৪৭ হাজার ৮৬৩, ঢাকা উত্তরে ৫ লাখ ৩ হাজার ৩৩২, ঢাকা দক্ষিণে ৪ লাখ ১ হাজার ২৭৮, গাজীপুরে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৯৩৪, নারায়ণগঞ্জে ৭৮ হাজার ৬৪৯, খুলনায় ৮৬ হাজার ৭৭৫, ময়মনসিংহে ৫৪ হাজার ৮৪২, রাজশাহীতে ৫৭ হাজার ৩৭০, রংপুরে ৭৭ হাজার ৭৪৭ এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনে ৬২ হাজার ১৫৯ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। তবে তুলনামূলকভাবে সিলেট সিটি কর্পোরেশনে টিকাদানের হার সবচেয়ে কম, যা ৯০ শতাংশ।

এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান জানান, আগামী ২০ মে পর্যন্ত সারা দেশে এই টিকাদান কার্যক্রম চলবে। এ সময়ের মধ্যে নতুনভাবে শনাক্ত বা বাদ পড়া শিশুরাও টিকার আওতায় আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
BBS cable ad