শিরোনাম

Space for ads

নবজাতকের মৃত্যুহার হ্রাসে আশার আলো ছড়াচ্ছে ‘ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার’

 প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ০৮:০০ পূর্বাহ্ন   |   চিকিৎসা

নবজাতকের মৃত্যুহার হ্রাসে আশার আলো ছড়াচ্ছে ‘ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার’
Space for ads

অপরিণত ও কম ওজনের নবজাতকসহ সব নবজাতকের মৃত্যুহার হ্রাস, রোগ প্রতিরোধ ও জীবন রক্ষায় ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার (কেএমসি) মডেল আশার আলো ছড়াচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী।

তিনি বলেন, ‘নবজাতকের জীবন রক্ষায় কেএমসির বিরাট অবদান ও গুরুত্ব বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। এই মডেলকে জনপ্রিয় করতে গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিরাট অবদান রাখতে পারে। এটি নীতিনির্ধারণী ফোরামে আলোচনা ও জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়ন করা এখন জরুরি।’

বুধবার (২০ মে) বিএমইউর শহীদ ডা. মিল্টন হলে আন্তর্জাতিক ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার সচেতনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক বৈজ্ঞানিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য এসব কথা বলেন।

বিএমইউর নবজাতক (নিওন্যাটোলজি) বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার এবং শিশু অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. আতিয়ার রহমান। মূল বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নিওন্যাটোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. রুম্পা মনি চৌধুরী।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক মান্নান বলেন, অপরিণত এবং কম ওজনের নবজাতকদের জীবন বাঁচাতে ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার হলো একটি অনুসরণীয় ও আদর্শ পদ্ধতি। কেএমসি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

মূল প্রবন্ধে ডা. রুম্পা মনি চৌধুরী জানান, ২০১১ সাল থেকে প্রতি বছর ১৫ মে বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার সচেতনতা দিবস উদযাপিত হয়ে আসছে। ২০২৬ সালে দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে- ‘স্থিরতাই শক্তি’।

BBS cable ad