ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক যেসব পানীয়
চিকিৎসা বিজ্ঞানে বর্তমানে অভূতপূর্ব অগ্রগতি হয়েছে। এক সময়ের দুরারোগ্য অনেক জটিল অসুখ এখন সফলভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবু ক্যান্সারের নাম শুনলেই এখনও অনেকের বুক কাঁপে। চিকিৎসকদের মতে, দূষণ, ধূমপান, অতিরিক্ত মদ্যপানসহ বেশ কিছু জীবনধারা-সংক্রান্ত কারণ ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
তবে সচেতন জীবনযাপন ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস সেই ঝুঁকি অনেকটাই কমাতে পারে। চলুন, জেনে নিই।
গ্রিন টি বা মাচা চা
গ্রিন টি-তে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ক্যাটেচিনস। যা শরীরের কোষকে সুরক্ষা দেয়।
চিকিৎসকরা বলছেন, গ্রিন টির বদলে মাচা চাও খাওয়া যেতে পারে। এটি গ্রিন টির একটি বিশেষ রূপ, যা বহু বছর ধরে জাপানে প্রচলিত। মাচা চা-তে ক্যাটেচিনস-এর ঘনত্ব আরো বেশি। ফলে এর উপকারিতাও ততটাই বেশি।
পালং স্মুদি
সুস্থ থাকতে এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পালং, শসা, আদা দিয়ে তৈরি সবুজ স্মুদি খুবই উপকারী। এটি শরীর ডিটক্সিফাই করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।
হলুদ দুধ
হলুদে থাকা কারকিউমিন উপাদানটি ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক এবং প্রদাহ কমাতেও কার্যকর। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন—গরুর দুধ কিংবা কাঠবাদামের দুধে এক চামচ হলুদ ও সামান্য গোলমরিচ মিশিয়ে খেলে শরীর তা সহজে শোষণ করতে পারে এবং উপকারও মেলে বেশি।
জীবনযাপনে সচেতনতা, পুষ্টিকর খাবার ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস—এই তিনটি জিনিস মেনে চললে ক্যান্সার প্রতিরোধ অনেকটাই সম্ভব।
সব অসুখের মতো ক্যান্সার প্রতিরোধেও প্রয়োজন সচেতনতার।




